Home বাংলাদেশ শরীরে শর্টগানের গুলির চিহ্ন,অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় আবু সাঈদের

শরীরে শর্টগানের গুলির চিহ্ন,অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় আবু সাঈদের

0

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রংপুরে নিহত আবু সাঈদের শরীরে শর্টগানের গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর আড়াই মাস পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে”রিপোর্ট অনুসারে, আবু সাইদের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন ছিল।” একটি গর্ত তৈরি হয়েছে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে আবু সাইদ মারা যান। এছাড়াও, মাথার মাঝখান থেকে পিছনের দিকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্রধান আইনজীবী রোকনুজ্জামান বলেন, মাথায় আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। সব মিলিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রমাণ করে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন আবু সাইদের সহপাঠীরা। তারা বলছেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও দায়ী। আমাদের চাওয়া, সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়ায় দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।’

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পুলিশ নিরস্ত্র আবু সাইদকে পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করে হত্যা করে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির ছাত্র ও সমন্বয়কারী আবু সাইদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ গত ১৭ জুলাই তাজহাট থানায় অভিযোগকারী হিসেবে এফআইআর করে। পরে ১৮ আগস্ট আবু সাইদের বড় ভাই রমজান আলী ১০ পুলিশ কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করেন।

পরে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই মো. আমির আলী ও সুজন চন্দ্র রায়কে গ্রেফতার করেছে রংপুর সিটি পুলিশ। পরে তাদের রংপুর জেলা পিইবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) রাতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ডিসি আবু বক্কর সিদ্দিক ও পিবিআই পুলিশ কমিশনার ড. জাকির হোসেন। দুটি মামলা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে পিবিআই।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version