Home বাংলাদেশ সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধান বিচারপতি

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধান বিচারপতি

0

প্রধান বিচারপতি ওবায়েদ আল-হাসান সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এটি এখন একটি বিপজ্জনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কিছু বলা আবার স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির সাত সিনিয়র আইনজীবীর অবমাননার বিচার দেখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি নেতার পক্ষে আসামিপক্ষের আইনজীবী জয়ন আল-আবিদীন ও আইনজীবী মেহবুবউদ্দিন খোকুন আদালতে শুনানি করেন।

এরপর আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশ করার জন্য মানহানির অভিযোগে বিএনপির সাত সিনিয়র আইনজীবীর সাজা স্থগিত করে এবং দুই সপ্তাহ পর সমাবেশ করেন আদালত।

এর আগে, ২৫ জুলাই আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশ করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে আসামি বিএনপির সাত সিনিয়র আইনজীবীর সাজা স্থগিত করে আপিল বিভাগ।

গত ১২ জুন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশ করার জন্য আদালত অবমাননার অভিযোগে বিএনপির সাত সিনিয়র আইন কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে ক্ষমা করে দেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে আগামী ৪ঠা জুলাইয়ের মধ্যে আদালতের মানহানির অভিযোগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দিতে বলেছেন তিনি। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে চার বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আজ ২৪ এপ্রিল আপিল বিভাগের দুই বিচারকের সংবাদ সম্মেলন ও বৈঠকের ঘটনায় বিএনপির সাত সিনিয়র আইনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিএনপির আইনজীবীদের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আপিল বিভাগ সিনিয়র আইনজীবী এ.জে. হিসেবে আদেশের তারিখ পিছিয়ে দেন। আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী, চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন ফাহিমা নাসরিন মুন্নি।

গত ১৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশের পর বিএনপির সাত সিনিয়র আইনজীবী আপিল বিভাগে হাজির হন। এই সাত সিনিয়র আইনজীবী হলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ.জে. মোহাম্মদ আলী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. ফোরামের শীর্ষ বিচার বিভাগীয় আইনজীবী আবদুল জব্বার ভূঁইয়া, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান ও জাতীয়তাবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল। ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আইনজীবী মো.

গত ১৫ নভেম্বর আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিতে বিএনপির সাত সিনিয়র আইনজীবীকে তলব করে আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত ভবনে মিছিল না করতে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়।

এদিন আদালতে এই আবেদনের শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী নাহিদ সুলতানা জোতি। ২০০৫ সালে বিচারপতি আবদুল মতিন ও বিচারপতি এএফএম আবদুল রহমানের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ আইনজীবীদের সুপ্রিম কোর্ট ভবনে সমাবেশ না করার নির্দেশ দেন। আইনজীবী নাহিদ সুলতানা ওতি বলেন, আপিল বিভাগ আইনজীবীদের এই রায় মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

গত বছরের ৩০ আগস্ট আপিল বিভাগ আইনজীবীদের সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কঠোরভাবে মেনে চলা এবং সুপ্রিম কোর্ট ভবনসহ সব আদালতে মিছিল বা সমাবেশ না করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মুহাম্মদ আলী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ বিএনপির সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানির জন্য ১৯ অক্টোবরের সময়সীমা বেঁধে দেন আদালত।

গত বছরের ২৯ আগস্ট আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশ করায় বিএনপির সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। অ্যাটর্নি নাজম আল হাদীর পক্ষে অ্যাটর্নি নাহিদ সুলতান জোতি আবেদনটি করেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version