নেপালে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে সারা দেশে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নাগরিক সুরক্ষা দলও নিখোঁজ নয়জনকে খুঁজছে। রোববার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।
বৃহস্পতিবার থেকে নেপালের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।
ফলে হিমালয়ের দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে বেশ কয়েকটি নদীতে বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি বলেন, “নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে পুলিশ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ এবং বাসিন্দাদের সাথে কাজ করছে।”
এদিকে প্রতিবেশী ভারতে বন্যা দেখা দিয়েছে এবং নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উভয় দেশের লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে ব্যাপক মৃত্যু ও ধ্বংসের কারণ হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় আকারের বন্যা ও ভূমিধসের সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও সড়ক নির্মাণ বৃদ্ধির কারণে এ সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে।
ভারতীয় সীমান্তের বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
আসাম রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। আসাম রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা রবিবার জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে ছয়জন মারা গেছে। ফলস্বরূপ, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে৫৮ -এ দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, নেপালে গত মাসে প্রবল ঝড়ে ভূমিধস, বজ্রপাত ও বন্যায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়।