রিমাল ঝড়ের সম্ভাবনার বিষয়ে আবহাওয়া সংস্থার প্রধান ড. আজিজ রহমান বলেন, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬ থেকে ৯টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। যখন একটি হারিকেন ঘটে, এটি 24 ঘন্টার মধ্যে খুব দ্রুত ল্যান্ডফল করতে পারে। বেশি সময় লাগে না। “
আজিজ রহমান বলেন, “এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।”
খুলনা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুন্দরবনের সব উপকূলীয় এলাকা এর আওতায় আসবে। তাই খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা ও নোয়াখালী- এসব এলাকা এই (ঘূর্ণিঝড়) দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শনিবার (২৫ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগের কথা গণমাধ্যমের নজরে আনেন অধিদপ্তরের পরিচালক মো.
আজিজুর রহমান বলেন, গভীর নিম্নচাপ বর্তমান হারে অব্যাহত থাকলে আগামীকাল রোববার রাত ৯টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
বন্দরে বর্তমানে তিনটি সতর্ক সংকেত রয়েছে একটি নিম্নচাপ ব্যবস্থার জন্য (সন্ধ্যা বা রাতে), সতর্কতা সংখ্যা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।
ঝড়টি বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এবং বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর বেশির ভাগই বাংলাদেশের উপকূলের ওপর দিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব বাংলাদেশ পাবে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের 30% ভারত পেলে, বাংলাদেশ পাবে 70%।
ঘূর্ণিঝড়টি সারাদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিন 300 থেকে 350 মিমি বৃষ্টিপাতের প্রত্যাশিত৷ তবে সারাদেশে বৃষ্টি সমান হবে না।উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ করে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও নওখালীতে বেশি বৃষ্টিপাত হবে।