সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
রোববার (১৮ আগস্ট) ঢাকার তরিকুলা ইসলাম আদালতে মামলাটি করেন আইনজীবী নাসরিন বেগম। আদালত আবেদনকারীর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটিকে অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য সূত্রাপুর থানাকে নির্দেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পুলিশের সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন ও ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত কমিশনার বিপ্লব কুমার, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ২৫০ নেতাকর্মী। লীগ এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের সূচনা করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা আন্দোলন নিয়ে নেতিবাচক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। ১৫ জুলাই শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য স্থানে হামলা চালায়। তারা ছাত্রদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, গুম ও হত্যা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ জুলাই সূত্রাপুর থানা সংলগ্ন সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল কলেজের সামনে অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী কর্মীরা। পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের পিছু পিছু পিছু নেয়। বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সরকারি কবি নজরুল কলেজের অর্থনীতির ছাত্র ইকরাম হোসেন কাউসার ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যা করা হয়।