বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত জনাব হারতান্তো এসবোরো বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দেখার মতো। বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার, তবে দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, পাটজাত পণ্য এবং পুনর্ব্যবহৃত সুতার রপ্তানি বাড়াতে হবে।
গতকাল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে অগ্রগতি করলেও খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণে পিছিয়ে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংরক্ষণ এবং হালাল খাদ্য রপ্তানিতে নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই তিনি ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কৃষি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের ওপর অধ্যয়নের ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে চেম্বার নেতাদের অনুরোধ অনুযায়ী তিনি ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল চালু করতে সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করার ঘোষণা দেন।
চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি ওমর হাজাজ বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বখ্যাত ওষুধ পণ্য রয়েছে। তিনি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) আওতায় বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানিতে রাষ্ট্রদূতের সহায়তা কামনা করেন।
এরপর চেম্বার সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ দশটি খাদ্য উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে রয়েছে। যাইহোক, বাংলাদেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের এক তৃতীয়াংশ, বা $3 বিলিয়ন মূল্যের খাদ্য, সঞ্চয় বা প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে নষ্ট হয়।
তিনি 180 মিলিয়ন মানুষের বিশাল বাংলাদেশী বাজার দখল ও রপ্তানি করতে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত বা সম্মিলিতভাবে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করেন।