Home রাজনীতি আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী শোক কর্মসূচি

আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী শোক কর্মসূচি

0
0

শোকের মাস আগস্টে বৃহস্পতিবার শুরু হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটে। ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস এবং শেখ মুজিব রহমান বঙ্গবন্ধুর ৪৯তম শাহাদত বার্ষিকী। আওয়ামী লীগ এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করে।
স্মরণ মাসের কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। স্মরণ দিবসে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সকল সহযোগী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনকে নানা কর্মসূচির আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জেলা, শহর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও জেলাসহ আওয়ামী লীগের সব শাখার নেতাদেরকে কেন্দ্রের মতো মাসব্যাপী কর্মসূচি পালনের জন্য বলা হয়েছে।

স্মরণ দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে যিকির, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও প্রার্থনা, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, খাদ্য বিতরণ, আলোচনা ও শোকসভা, কালো ব্যাজ ধারণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান পরিকল্পনা, বৃক্ষরোপণ ও সমঝোতা স্মারক উপস্থাপন। এবং তাই, ইত্যাদি

ধানমন্ডি ৩২ নং রুটে সমিতির পক্ষ থেকে শোকের মাসের প্রথম প্রহরে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ১২টায় ধানমন্ডি ত্রিষ্টিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং ১ আগস্ট সকাল ১টায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের বাইরে সারি। মৎস্যজীবী সমিতি ঐতিহাসিক ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও খাবার বিতরণ করে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে কৃষ্ণ ক্রেগ কালো ব্যাজ সংরক্ষণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, আলোচনা ও মফিলের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর স্বামী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, জাতির জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্যাপ্টেন শেখ কামালের পিতা, লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের দ্বিতীয় পুত্র, শিশু শেখ রাসেলের কনিষ্ঠ পুত্র, সুলতানা কামালের নবদম্পতি পুত্রবধূ ও রোজী। জামাল, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনি ও তার গর্ভবতী স্ত্রী বেগম আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর পুত্রবধূ আবদুর রব সেরনিয়াবাত, সেরনিয়াবাতের কনিষ্ঠ কন্যা বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, দৌহিত্র সুকান্ত আবদুল্লাহ, ভাইয়ের ছেলে শাহাদাত হোসেন। সেরনিয়াবাত, আবদুল নাঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর প্রধান সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদসহ অনেক সক্রিয় অফিসারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বাঙালিকে অন্যায়ের বোঝা বয়ে বেড়াতে হয়েছে। ২০১০ সালে খুনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে বাঙালি অবশেষে কলঙ্ক থেকে নিজেদের মুক্ত করে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here